পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Featured Post

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

ছবি
  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র

ছবি
সম্পাদকীয় অত্যন্ত চাপের মধ্যে এই সংখ্যা প্রকাশিত হল। আপনাদের মতামত পরামর্শ পেলে ভালো লাগবে। যারা ফেসবুকে নিজের প্রকাশিত লেখা শেয়ার করবেন তাঁরা শুধু স্ক্রীনশর্ট না দিয়ে ব্লগের লিঙ্কটাও শেয়ার করুন। সঙ্গে আমাদের ট্যাগ করুন, বাধা নেই। সবাই ভালো থাকুন, সৃজনে থাকুন। ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।                                                                    নিরাশাহরণ নস্কর                                                                    ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ ==================================== সূচিপত্র প্রবন্ধ/গল্পঃ রণেশ রায়    বিজয়ন্ত সরকার     তন্ময় সিংহ রায়    পারিজাত ব্যানার্জী     সিদ...

রণেশ রায়ের প্রবন্ধ

সমাজতন্ত্র গঠন প্রক্রিয়ায় সাংস্কৃতিক বিপ্লব রাশিয়ায় নভেম্বর বিপ্লবপূর্ব জার আমলে জারের নেতৃত্বে রাশিয়া বহুধা বিভক্ত ছিল । বিভিন্ন জনগোষ্ঠীতে বিভক্ত মানুষজনের আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার খর্ব করে তাদের ওপর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাশিয়ার প্রাধান্যবাদের অধীনে তাদের পশুর জীবন যাপনে বাধ্য করা হয়েছিল। নাগরিকদের ভোটাধিকার স্বীকৃত ছিল না। রাশিয়ায় পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলেও পশ্চিমি দেশের পুঁজিবাদের তুলনায় রাশিয়া ছিল পশ্চাপদ। সেকানে গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটে নি । সামাজিক জীবনে রেনেসাঁর প্রভাব পড়ে নি। সাধারণ মানুষ ছিল দারিদ্র নিপীড়িত। মহিলাদের স্বাধিকার খর্ব হত। সেটা ছিল জারের আমলের বহু নিন্দিত অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগ । নভেম্বর বিপ্লব রাশিয়াকে এই অবস্থা থেকে মুক্ত করে বৃহত্তর সোভিয়েত রাশিয়ার জন্ম দেয় যার অর্থনৈতিক ভিত্তি সমাজতন্ত্র । এটা নেহাত বিভিন্ন ভৌগলিক অঞ্চলের যোগফল নয় । জন্ম নেয় এক নতুন মানস যে মানস মানুষের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়, যে সমতার ভিত্তিতে মানুষের জীবন জীবিকা শিক্ষা চিকিৎসা নিশ্চিত করার কথা বলে । মুষ্টিমেয় পুঁজিবাদীর ক্ষমতার ও তার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা তাদের রাজত্বের ...

বিজয়ন্ত সরকারের অনুভাবনা

ছবি
 বই !  কাঠামোয় মুহ্যতা স্পষ্ট, হলুদ ম্যাড়ম্যাড়ে পাতা-প্রশাখার বাঁধন আলগা হয়েছে । ভাঁজের জ্ঞান-গরিমায় রূপালী বইপোকারা বসত করছে কয়েক বছর হল । যে চোখেরা স্বাদ নিয়েছে এতকাল, তাদের দেখাও পাওয়া হয়না । বইতাকে সাজানো চেনা বারান্দা থেকে খুব বেশী কিছু দেখা না গেলেও ডিজিটাল সভ্যতার বিচরণ- প্রেক্ষিতে আসেনি এমনটা নয় । শিরোনামের ফ্রেম খসে যাওয়ার পর ভেবেছিলাম,- দুই নম্বর থাকের তিন নম্বর সারির প্রতিবেশীদের মত আমাকেও হয়তো কেজি দরে নিলামে যেতে হবে । যদিও ধীরে ধীরে আবছা হয়েছে ভয়, বন্ধ থাকতে থাকতে কখনও মনে হয় এর চেয়ে টুকরো সাজে ঠোঙা হয়ে যেতে পারলেই হয়তো ভাল হত । এই বুকে থাকা বলতেপারা গুলো শুনতে চাইছেনা কেউ, সত্যি কি তাই নাকি এখন বলতে পারার মাধ্যমটাই আলাদা মাত্রায় ! এসব এলোমেলোতার মাঝে হঠাৎই দেখলাম আমার ঘর-বারান্দা সহ আমি একটা বিস্ময়বোধক হয়ে যাচ্ছি...। 'মুড়ি....মুড়ি.... ঝালমুড়ি' চয়নে যখন বহুদিনের বন্ধতা খুলেছি- দৃশ্যত আমার কিছু কথা তেল-ঝাল মেখে কিছুটা লুটিয়ে যাওয়া আবর্জনাময় কিছু কথা ফেসবুকের ওয়ালে-ওয়ালে ঘোরে কিংবা অর্বাচীন টাচ্-প্যাডের অতীত মোছা ঢঙে.... কিছু কথা টেবিল ল্...

পারিজাত ব্যানার্জীর গল্প

অসম, অ-সমাজ ও অন্য 'আমি'র কথন আজকাল আর গল্পটল্প খুব একটা লিখতে ইচ্ছে করেনা। দেখেছি, যখনই আমি কোনো না কোনো গল্প লেখার চেষ্টা করি, কিভাবে যেন তা আমার জীবনেরই একখণ্ড পাতা হয়ে ভিজতে থাকে বৃষ্টিতে সন্তর্পণে। অথচ আমি বরাবরই নিজের কথা বলার ক্ষেত্রে বেশ অপারগ। কারও সাথে কিছু ভাগ করে নেওয়ার আগে প্রতিবারই কেমন যেন থতমত খেয়ে দাঁড়িয়ে পড়ি প্রতিবার। হাত কচলাই, ঘামে ভিজে স্নান করে যাই ভরা শীতের মরসুমে— অথচ কথাগুলোকে তবু শরীর থেকে নিংড়ে মুচড়ে ছুঁড়ে ফেলার ঠিক আগের মুহূর্তেই যেন আবার মনে হতে থাকে — নাঃ, থাক। কি দরকার! নিজের নর্দমা পরিষ্কার করবার ছলে আমি যদি অন্যের বিবমিষার কারণ হয়ে উঠি কোনোভাবে — তার চেয়ে থাক বরং পড়ে সব যেমন আছে তেমনই — আমার অবচেতনে। কিন্তু আমার এই দৃঢ় সংকল্পের পথে বারবার দেখেছি বাধ সাধে রঙতুলি দিয়ে আঁকতে বসা আমার নিজের লেখা গল্পগুলোই। হ্যাঁ, একথা ঠিক, গল্পগুলো আমি আমার প্রিয় বাবার দেওয়া সোনালী কলমেই লিখি যা দিয়ে একসময় পরীক্ষা দিতাম স্কুল কলেজে, তবে কথাগুলো আমার আঙুলের বশে দেখেছি ঠিক কখনোই আর থাকতে পারেনা তেমন। এলোমেলো ভাবে তারা দিব্যি নিজেদেরকে মানিয়ে গুছিয়ে...

সিদ্ধার্থ সিংহের গল্প

বোড়়কি না। বোড়কিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না। ছলছল চোখে শিবকুমার এ কথা বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল তার বউ। আর তার কান্না শুনে বইপত্র ফেলে পাশের ঘর থেকে ছুটে এসে মায়ের কাছ ঘেঁষে দাঁড়াল তাদের বাকি দুই ছেলেমেয়ে— মেজকি আর ছোটকা। কান্না জড়ানো গলাতেই শিবকুমারের বউ বলল, তা হলে ও বোধহয় আবার পালিয়েছে। যাও, থানায় যাও। একবার গিয়ে বলো... এর আগেও চার-চার বার ও পালিয়েছে। প্রথম বার যখন ওকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তখন গ্রাম থেকে অনেক দূরে, কালিন্দী থানায় মিসিং ডায়েরি করার সময় পুলিশ অফিসারটি বলেছিল, তেরো বছর বয়সেই পালিয়েছে! কার সঙ্গে? শিবকুমার হাঁ করে তাকিয়ে ছিল। সেটা দেখে ওই পুলিশটি অফিসারটি বলেছিল, ও তো আর দুধের বাচ্চা নয় যে, কোনও তান্ত্রিক তুলে নিয়ে গিয়ে আর সব বাচ্চাদের মতো ওকেও মায়ের সামনে বলি চড়িয়ে দিয়েছে... হ্যাঁ, এখানে মাঝে মাঝেই বাচ্চা খোয়া যায়। এবং খুঁজে পাওয়া না গেলে লোকেরা ধরেই নেয়, তাকে কেউ তুলে নিয়ে গিয়ে বলি দিয়ে দিয়েছে। শোনা যায়, বহু বছর আগে ইংরেজ আমলে ছোট, মেজ, বড়, আরও বড় কর্তাকে বারবার অনুরোধ-উপরোধ করা সত্ত্বেও যখন হল না, তখন আশপাশের গ্রামের লোকেরা সবাই এককাট্টা হয়ে বড...

স্বরূপা রায়ের গল্প

ছবি
যথার্থ সময় সদ্য গর্ভস্রাবের শারীরিক কষ্ট কাটিয়ে বাড়িতে এসেছে দৃষ্টি। মানসিক কষ্টটা এখনো মনের গহনে বিরাজমান। এই নিয়ে তিন নম্বর বার ওর গর্ভস্রাব হলো। বাড়ির চৌকাঠে পা রাখতেই দৃষ্টির শাশুড়ি রিতাদেবী বলে উঠলেন, "কোন কুক্ষণে যে এরকম অলক্ষ্মী মেয়ে আমি এই ঘরে নিয়ে এসেছিলাম ভগবানই জানে! বিয়ের ৭ বছর পরেও এখনো পর্যন্ত আমাদের নাতির মুখ দর্শন করাতে পারলো না।" "আহাঃ মা! দৃষ্টি সদ্য নার্সিংহোম থেকে ফিরেছে। ওকে একটু শারীরিক আর মানসিকভাবে নিজেকে সামলাতে দাও।" দৃষ্টির স্বামী অমিতাভ বললো। "এ তো এখন রোজকার ব্যাপার হয়ে গেছে। আমি এখনো বলছি তোকে, সময় আছে এখনো, ওকে রেখে আয় ওর বাপের বাড়িতে। তারপর ডিভোর্স দিয়ে আরেকটা বিয়ে করে আমাকে এ জীবনে মরার আগে নাতির মুখটা দেখা।" রিতাদেবী বললেন। "ওহ মা প্লিজ!" বলে অমিতাভ বিরক্ত হয়ে চলে গেল। দৃষ্টি কিচ্ছু বললো না। এসব কথা কয়েক বছর ধরে ও রোজ শোনে। আর রোজকার মতোই আজও ওর চোখের কোণে জল। নিজেকে একটু সামলে মনটা অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য মোবাইলটা হাতে নিয়ে হোয়াটস্যাপটা খুললো। নিলের মেসেজ, "কিরে কেমন আছিস এখন?" দৃষ্...